চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভর করে আজ টাইগাররা টি-টোয়েন্টিতেও জয় নিয়ে মাঠে নামছে।
এই ম্যাচের মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে তাওহীদ হৃদয় অভিষেক করছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে — তিনি এখন বাংলাদেশের ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। তরুণ হৃদয়ের হাতে বিশাল দায়িত্ব: চট্টগ্রামের উইকেটে বড় সংগ্রহ করে সফরকারীদের ওপর চাপ তৈরি করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস তৃতীয় ওয়ানডেতে পাওয়া চোটের কারণে আজ খেলতে পারছেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে উইকেটকিপিং বাধ্যতামূলকভাবে সামলাবেন পারভেজ হোসেন। একাদশে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারও, যাকে দলের স্লটে হঠাৎ করে নেওয়া হয়েছিল একদিন আগেই।
টিমে নতুন মুখ হিসেবে রয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ২৪ ম্যাচে ২৪ উইকেট নেওয়া এই তরুণ স্পিডস্টার lower-order-এ দ্রুত রান যোগ করে দলের জন্য ম্যাচই বদলে দিতে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে। পেস বিভাগে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরীফুল ইসলাম থাকলে স্পিন তালিকায় দল পেয়েছে রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসানকে।
অস্ট্রেলিয়ার সামনে বাংলাদেশের লক্ষ্য স্পষ্ট: টসে জিতে দুর্দান্ত শুরু করে বড় স্কোর তাড়া করে দিতে হবে এবং সমর্থকদের সামনে নতুন ইতিহাস রচনা করা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সর্বশেষ ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাদের বিরুদ্ধে হারার স্মৃতি রয়েছে—আজ সেই ভুলগুলো পাত্তা না দিয়ে দলের লক্ষ্য হবে আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী খেলা দেখানো।
চট্টগ্রামের উইকেট এখানে কখনও কখনও ব্যাটিং-ফ্রেন্ডলি হয়; তাই উচ্চ সংগ্রহ করে ফিল্ডিংতে অ্যাডভান্টেজ নেওয়া হবে বাংলাদেশ অধিনায়ক হৃদয়ের পরিকল্পনা। ভক্ত—from ঘনিষ্ঠ উৎস থেকে—আশা করছে, নব ответствен নেতৃত্বে টাইগাররা শুরু থেকেই আগ্রাসী ও সজাগ খেলায় মাঠে প্রভাব ফেলবে।








