ঢাকা | সোমবার | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আইএলটি২০ নিলামে সাকিব পেলেন দল, তাসকিন দ্বিগুণ দামে চুক্তিবদ্ধ

ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির (আইএলটি২০) প্রথম নিলামে শুরুতেই অনেক খেলোয়াড় অবিক্রীত থাকলেও শেষ মুহূর্তে দুই বাংলাদেশের ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। বাংলাদেশের বিশ্বমানের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন এমআই এমিরেটস ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে কিনে নিয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি পেসার তাসকিন আহমেদকে শারজা ওয়ারিয়র্স দলে নিয়েছে এবং তার দাম উঠে গেছে দ্বিগুণ, অর্থাৎ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০২৩ সালে যাত্রা শুরু হওয়া এই আইএলটি২০-এর নিলাম শনিবার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে মোটর বেশি মনোযোগ ছিল ভারতের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের দিকে—তার মূল্য হাঁকা হয়েছিল ১ লাখ ২০ হাজার ডলার, তবে কোনও দলই তার জন্য আগ্রহ দেখায়নি। সেইসাথে, পাকিস্তানের সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির, জেসন রয়, টেম্বা বাভুমা এবং ইংল্যান্ডের জিমি অ্যান্ডারসনসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকারাও অবিক্রীত থেকে যান।

অশ্বিন, যিনি আগস্টে ভারতের সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন না। প্রথম দফায় তিনি আর কোনও দল কিনতে আগ্রহ প্রকাশ না করলেও, দ্বিতীয় দফার নিলামে সাকিব ও তাসকিনের জন্য বিভিন্ন দলকে আকর্ষণ করে তুলেছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যদি তাসকিনকে টেকনিক্যাল অনুমতি দেয়, তবে এটা হবে দেশের বাইরে তার দ্বিতীয়বারের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নেওয়া। এর আগে, তিনি গেল বছর লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) কলম্বো স্ট্রাইকার্সের হয়ে খেলে থাকেন। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান এখনও কোনও আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেননি। তবে, গত জুলাইয়ে, তিনি দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে গ্লোবাল সুপার লিগ (জিএসএল) খেলেছেন। এবার, তার অভিষেক হবে আগামী বছর ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া আইএলটি২০-র চতুর্থ আসরে এমআই এমিরেটসের হয়ে।

আইএলটি২০-এর ২০২৬ সালের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ১ অক্টোবরে ২০২৫, বুধবার, দুবাইয়ের ফোর সিজনস হোটেলে, জুমেইরাহ বিচে। নিয়ম অনুযায়ী, একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বনিম্ন ১৫ লাখ ডলার এবং সর্বোচ্চ ২০ লাখ ডলার খরচ করতে পারবে। প্রতিটি দলে ১৯ থেকে ২১ জন খেলোয়াড় থাকবে, যার মধ্যে অন্তত ১১ জন আইসিসির পূর্ণ সদস্যদেশ থেকে, চারজন স্বাগতিক আরব আমিরাত থেকে, একজন কুয়েত থেকে, একজন সৌদি আরব থেকে এবং দুইজন অন্যান্য সহযোগী দেশের খেলোয়াড় থাকবেন। এছাড়াও, ওয়াইল্ড কার্ড চুক্তির মাধ্যমেও দুটি খেলোয়াড় দলে নেওয়া যাবে, যা জন্য অতিরিক্ত ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচের সম্ভাবনা রয়েছে।