অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের সমস্ত চুক্তিতে তাঁকে কখনোই ডাকা হয়নি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই চুক্তিগুলোর সঙ্গে তাঁর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই কারণ সেগুলো তার বিশেষ ক্ষেত্রের নয়। তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও এনবিআর সংক্রান্ত আলোচনাগুলোতেও তাঁকে অঙ্গীকার করা হয়নি। এসব বসরণে ড. মুহাম্মদ ইউনূস মূলত তাঁর একাধিক উপদেষ্টাকে ডাকতেন, যেখানে তিনি সাধারণত লিগ্যাল বা আইনি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। পলিটিক্যাল বা সংস্কার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোতে তাঁকে ডাকা হত না। তিনি বলেন, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যেখানে প্রয়োজন হয়, স্যার সেই বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের çağাতেন। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন আসিফ নজরুল। প্রশ্নটি ওঠে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেড় বছর ধরে যে আলোচনাগুলো চলত, সেখানে একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ ছিল। এই কেবিনেটের সদস্যদের একজন আপনি ছিলেন—এমন অভিযোগ থাকলেও, স্বচ্ছন্দে তিনি বলে দেন, তিনি কখনোই এই চুক্তির বিষয়ে ডাকা হননি। তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কি কোনো সরকারের সময় কিচেন কেবিনেট ছিল? এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যদিও এই কেবিনেটে কিছু সদস্য ছিলেন, তবে তারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ role পালন করতেন। যারা থাকতে পারতেন না, হয়তো তারা এ বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন না। সাবেক এক উপদেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি সম্মানের সঙ্গে বলছি, সেই উপদেষ্টা বলেছেন যে, ইউনূস সরকার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ছিলেন না। তবে শ্রম বিষয়ক (লেবার) সিদ্ধান্তগুলোতে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন এবং বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এরপরই, যখন নির্বাচন কমিশন ইলেকশন লের ড্রাপ্ট নিয়ে কাজ শুরু করে, তখন উপদেষ্টারা একত্রে বসে আলোচনা করেন। তখন আমাদের অবজারভেশনগুলো কী কী তা উল্লেখ করতে বলা হয়, যেখানে ওই উপদেষ্টার অভিজ্ঞতা বেশি থাকায় তাঁকে এই বিষয়গুলো নিয়ে বেশি কথা বলতে বলা হয়।








