জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গভীর ও বন্ধুভাবাপন্ন সহযোগিতা অটল রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এবং উভয় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার (৪ জুলাই) राष्ट्रिय সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘‘A Freedom 250 Musical Performance’’ অনুষ্ঠান থেকে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ। এই অনুষ্ঠানটি পার্লামেন্টারি ককাস অন বাংলাদেশ-ইউএসএ রিলেশনশিপ ও বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে সংযুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বক্তব্য দেন। পাশাপাশি পার্লামেন্টারি ককাস অন বাংলাদেশ-ইউএসএ রিলেশনশিপ-এর চেয়ারম্যান ড. মো. ওসমান ফারুক, এমপি ও কো-চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুবুর রহমান, এমপি, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক ও আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের এই উদযাপন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও साझा গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। তিনি বলেন, এসব আয়োজন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গভীরতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
অতিরিক্ত করে তিনি স্মরণ করান, কোভিড-১৯ মহামারির সময় যুক্তরাষ্ট্র যে ভ্যাকসিন ও সহায়তা প্রদান করেছিল, তা বাংলাদেশের জনগণ কৃতজ্ঞ মনে রাখবে। চিফ হুইপ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ ২৫০ বছরের স্বাধীনতার ইতিহাসে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রচারকে জোরদার করেছে এবং বিশ্বব্যাপী এই মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
তিনি আশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে এবং দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। বক্তৃতার সমাপনীতে চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গন থেকেও যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও গণতন্ত্রের বার্তা পেয়েছে, তা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য আরও গভীর করবে।








