মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটের কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য যদি গুমের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘‘সেনা সদস্যরা যখন অন্য বিভাগে ডেপুটেশনে থাকেন, তখন তাদের উপর আমাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তবুও তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রমাণিত হলে সেনাবাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নিবে।’’
তিনি আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এক প্রশ্নের উত্তরে কর্নেল শফিকুল বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
কর্নেল শফিকুল আরও জানান, দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা চালিয়ে তাঁরা প্রায় বারো হাজার লু্ট হওয়া অস্ত্র চিহ্নিত করেছেন, এর মধ্যে আট হাজারেরও বেশি উদ্ধার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বিরাজমান বাকি অস্ত্রও দ্রুত উদ্ধার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, গত বছরের জুলাই মাসের আন্দোলনে আহত চার হাজার সাতশত নব্বই জন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে সিএমএইচে ২২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে এবং দেশের শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে নিয়োজিত রয়েছে বলে কর্নেল শফিকুল তথ্য দেন। সেনাবাহিনী এই দায়িত্ব পালন করে দেশের শান্তি ও সামঞ্জস্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।








