ঝালকাঠি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং যু্বলীগ নেতা শাহ আলম খান ফারসুকে সোমবার (২৩ জুন) আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, রোববার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ তাকে শহরের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন, শাহ আলম খান ফারসু একটি বিষ্ফোরক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা মহিলা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তা বেগম বাদী হয়ে বিষ্ফোরক আইনে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকে ফারসু খান পালিয়ে ছিলেন। তার এলাকায় উপস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পেয়ে রোববার রাতে একটি অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর সোমবার সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
মুকতা বেগমের অভিযোগ, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ‘বিএনপির গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে শাহ আলম খান ফারসু ও তার সহযোগীরা ককটেল এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। ওই হামলায় মুক্তা বেগম, যিনি তখন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, লাথির আঘাতে গর্ভের সন্তানের মাতা হারান।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রায় দুই বছর পর, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মুক্তা বেগম ঝালকাঠি সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে একাধিক আসামির নাম থাকলেও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ফারসু ছিলেন মূল অভিযুক্তদের একজন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে এবং মামলার যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।







