ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার পথে বড় একটি অগ্রগতি ঘটতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য প্রণীত নতুন অধ্যাদেশের বা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দফতরটির যাবতীয় দাপ্তরিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর, রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) এই চূড়ান্ত খসড়াটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এই তথ্যটি নিশ্চিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো দীর্ঘ ও বিস্তারিত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সেসব প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে, সাধারণ জনগণের মতামত নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেবা চালু করা হয়, পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের জন্য অভুতপূর্ব কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, যা সবাইর যৌক্তিক প্রত্যাশা ও উদ্বেগকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সকলের ধৈর্য্য ও গঠনমূলক সহযোগিতার কারণে এই জটিল প্রক্রিয়া সফলতার সাথে সম্পন্ন হতে পারে—মন্ত্রণালয় এই আশ্বাস দিয়েছে।
বিশ্বমানের ও টেকসই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও মৌলিক সংস্কার অভিযানগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা বিশৃঙ্খলা এalih হবে পুরো উদ্যোগের জন্য ক্ষতিকর। এখন যখন এই অধ্যাদেশ সরকারে সর্বোচ্চ অনুমোদনের অপেক্ষায়, তখন জনদূর্ভোগ বা জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে এমন কোনও কর্মসূচি বা অনুষ্ঠান থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি এই উদ্বেগ প্রকাশ করে, অনাকাঙ্ক্ষিত কোনও পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি গণশিক্ষার অর্জনকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
অবশেষে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে, ধৈর্য্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে খুব শীঘ্রই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। প্রস্তাবিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে—য়ে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।




