তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফল উৎসবের পেছনে অন্তর্নিহিত রয়েছে একটি গভীর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন, যা সুস্থ মননশীলতা তৈরি ও সামাজিক bondedness বজায় রাখতে সহায়তা করে। তিনি বলেন, এই ধরনের উৎসব শুধু একটি ছোটখাটো অনুষ্ঠান নয়, বরং এর মাধ্যমে পারস্পরিক হৃদ্যতা বৃদ্ধি ও সামাজিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘ফল উৎসব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঐতিহ্যবাহী ফল উৎসবের সংস্কৃতিকে কেবল শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও গ্রামের পর্যায়েও ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে সমাজের প্রতিটি অংশের মানুষ এর সুফল পায়।
উৎসবে বিভিন্ন ধরনের দেশি ফলের সমাহার দেখানো হয়, যেমন আম্রপালি, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা, জাম্বুরা, কলা, কামরাঙ্গা, আমলকি, পেঁপে, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, করমচা, লটকন, ড্রাগন, জামরুল, তাল, আপেল, লেবু, বাতাবিলেবু, লিচুসহ মোট প্রায় ৪২টি ধরনের ফল। এই ফলের মাধ্যমে মানুষের মনে প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা ও স্বাভাবিক জীবনধারার মূল্যবোধ জাগ্রত হয়।
উৎসবের সাথে সংগীতানুষ্ঠানও ছিল যার মধ্যে দেশাত্মবোধক ও লোকজ গানের পরিবেশনায় দর্শকরা মুগ্ধ হন শিল্পী তামান্না হক, শাহরিয়ার রাফাত, মিনি আলাউদ্দিন ও বাবুর পারফরম্যান্সে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাদের গনি চৌধুরী, কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রানা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, একেএম মহসিন, মাসুমুর রহমান খলিলীসহ ক্লাবের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা।
এমন এক প্রাণবন্ত পরিবেশে দিনে গিয়ে রাতে পর্যাপ্ত সময় কাটান সদস্যরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা, এই উৎসবের মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে প্রেস ক্লাব, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান।







