অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্মীয় উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেছেন, “আমরা মসজিদ নির্মাণ করে দেবো, আপনার কাজ হচ্ছে সেগুলোকে উর্বর করে তোলা। দেশের প্রতিটি জেলার প্রতিটি উপজেলার জন্য মডেল মসজিদ নির্মাণ হবে এবং যত বেশি মসজিদ হবে, তত বেশি নামাজি বাড়বে। অধিক সংখ্যক নামাজি থাকলে সমাজ থেকে ফাহেশা, শিরক, বিদয়াতসহ বিভিন্ন অপকর্ম স্বাভাবিক ভাবেই কমে আসবে।” শুক্রবার (৪ জুলাই) হাটহাজারী পৌরসভার কড়িয়ার দিঘির পাড় এলাকায় মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক মো. শহিদুল আলম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল হাওলাদার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান, প্রকল্পের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌস-উজ-জামান এবং স্থানীয় সরকার কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমীর ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামীম আল্লামা মুফতি খলিল আহমদ কাসেমী ও অন্যান্য সুধীজন।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সব জেলা ও উপজেলায় মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি মসজিদের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। তিন তলা বিশিষ্ট এসব মসজিদে থাকবে উন্নত ইমাম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, ১২০০ মুসল্লির জন্য নামাজের স্থান, পাঠাগার ও ইসলামী বই বিক্রয় কেন্দ্র। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা বৃদ্ধি ও সামাজিক অপকর্ম কমানোর পাশাপাশি সমাজে সুশাসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








