ঢাকা | শুক্রবার | ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নতুন বছরে চার সিনেমা নিয়ে ফিরছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ তোরসা

২০১৯ সালের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করা মডেল ও অভিনেত্রী রাফা নানজিবা তোরসা নতুন বছর শুরু করেন বড় এক সুখবরের মাধ্যমে। দীর্ঘ বিরতির পর তিনি এখন চারটি নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত এক সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত, যার নাম ‘মাটি’। এই সিনেমায় তোরসার বিপরীতে অভিনয় করছেন নবাগত অভিনেতা আলভী মারমুন। সিনেমাটির কাহিনী, চিত্রনাট্য এবং পরিচালনা সবাই নিজের উদ্যোগে করছেন তারতারিফ সৈয়দ। তোরসা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ দৃশ্যধারণ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে আগামী ঈদুল আজহায় এই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এমডি ইকবাল হোসেন, মাহামুদ আলম ও আশিক সরকারকে।

তোরসার ঝুলিতে আরও রয়েছে বেশ কিছু বৈচিত্র্যময় প্রজেক্ট। সম্প্রতি তিনি নারী অধিকার ও সামাজিক বৈষম্যমূলক বিষয় নিয়ে নির্মিত ‘রক্তছায়া’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন, যা পরিচালনা করেছেন আলী জুলফিকার জাহেদী। একই পরিচালকের অন্য একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নির্জন স্বাক্ষর’-এও তিনি প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। এই দুই কাজের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ও বর্তমানে তারা সেন্সরে যাচ্ছিলো এবং মুক্তির অপেক্ষায়। তোরসা মনে করেন এই ধরনের গল্পভিত্তিক কাজ তাকে নতুন দিক দেখাবে, এবং দর্শকরা তার ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন।

এছাড়াও তিনি আরও একটি গোপনীয় রয়েছে এমন সিনেমার কাজ সম্পন্ন করেছেন। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার শর্তানুযায়ী এবং পরিচালকের নির্দেশনায় তিনি এই সিনেমাটির বিস্তারিত কিছু এখনই প্রকাশ করতে চাননি। কেবল জানালেন, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর দর্শকরা এই বড় চমকটি জানতে পারবেন। চারটি ভিন্ন ধরনের সিনেমার কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত তোরসা বলেন, প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরতে তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন। নতুন বছরে তার এই ব্যস্ততা এবং সৃজনশীলতা বড় পর্দায় কতটা সফলতা পাবে তা ভবিষ্যতের উপর নির্ভর করছে। মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে একটি স্থায়ী স্থান করে নেওয়া, যা তার মূল লক্ষ্য।