ঢাকা | মঙ্গলবার | ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির সংকেত মেলে—বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারো বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের মোট গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৮ জুন, ২০২৬ তারিখে দাঁড়িয়েছে ৩৬,৩১৪ দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার)। রিজার্ভ বৃদ্ধির এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) BPM6 পদ্ধতিতে দেশের নিট রিজার্ভ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১,৭৩৮ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩১.৭৩ বিলিয়ন ডলার)।

তিন দিনের আগের তুলনায়—২৫ জুনের সঙ্গে—রিজার্ভে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষযোগ্য। ওই দিন দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬,০৮২ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার এবং BPM6 অনুযায়ী নিট রিজার্ভ ছিল ৩১,৫৩২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ বাড়েছে প্রায় ২৩২ মিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফ পদ্ধতিতে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২০৫ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ডলার।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানত প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক উন্নতি রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে প্রবল প্রভাব ফেলেছে। তাদের মতে, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা আসে এবং আমদানি-দাম ও বিনিময়হার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রবাহকে নজরদারি রাখার মাধ্যমে রিজার্ভের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।