শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সি আর আবরারের সঙ্গে সোমবার (৪ আগস্ট) ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেছেন। এই বৈঠকে দুদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নয়ন ও সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের মধ্যে গভীর এবং সৌহার্দ্যময় কথোপকথন হয়েছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফিলিস্তিনের ছাত্রছাত্রীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ জন্য ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ড. সি আর আবরারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
ফিলিস্তিনে শিক্ষা বিস্তারে বাংলাদেশের অবদানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এজন্য ফিলিস্তিনের বিদ্যমান শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গাজায় চলমান সংকটের সময় বাংলাদেশের ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসনা পেয়েছে এবং রাষ্ট্রদূত এই সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তাঁর কথায়, বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা লাভ করা ৪১ জন চিকিৎসক গাজায় আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন, যা ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা বাড়িয়েছে। এই অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন।
তাঁরা জানান, ফিলিস্তিন মুকুলিশ হলে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের ফিলিস্তিনে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়ে এই শিক্ষাসহকারী বন্ধুত্বের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করা হবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের শিক্ষাসংক্রান্ত সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








