ঢাকা | শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইবি নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্তে মতবিরোধ, ভিসিকে ইউট্যাবের চিঠি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উত্তেজনা ও বিবাদের কারণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট নিয়োগ ও নির্বাচনমূলক বোর্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইবিতে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মত প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পক্ষ, যাদের মতে, দেশের সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এটি জরুরি। অন্যদিকে, অন্য একটি পক্ষ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে এবং বলছে, এটি একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি), ইউট্যাবের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মুহাম্মদ নসরুল্লাহর কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে নিদের্শনা অনুসারে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নিয়োগ-বোর্ড বন্ধের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যদি এই নির্দেশনা অমান্য করা হয়, তাহলে ইউট্যাবের সাধারণ সভা আহ্বান করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আনুষ্ঠানিকভাবে, এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়নি এবং ইউট্যাবের অন্যপক্ষ এটি অমীমাংসিত ও একপাক্ষিক বলে দাবি করেছে।

জানাগেছে, গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ইউট্যাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় নির্বাচনকালীন সময়ে নিয়োগ বন্ধের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় উঠে আসে। এক পক্ষের বক্তব্য ছিল, নিয়োগ স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে থাকা উচিত, অন্যপক্ষের দাবি ছিল, এই সময়ে নিয়োগ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এর ফলে তর্ক-বিতর্ক পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং সভা নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়। এরপরই এই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইউট্যাবের সদস্যপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে; তারা এ বিষয়ে সঠিক তথ্য দেয়নি। তবে, ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে, আমরা উপাচার্যকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিয়োগ বন্ধের জন্য অনুরোধ করেছি। যদি এটি অমান্য করা হয়, তাহলে সাধারণ সভা ডেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমাদের সিদ্ধান্তে কারো আপত্তি থাকতেও পারে, কিন্তু আমরা কাউকে দমন বা বাধ্য করতে চাই না। সকলের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার আমাদের অঙ্গীকার।