ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার আর চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা প্রধান শফিকুল ইসলাম। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) ডিবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গুলির আঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনাটির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে শফিকুল ইসলাম জানান, কারওয়ান বাজারে প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত অন্তত আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই চাঁদা সংগ্রহের জন্য দ্বন্দ্বের জেরে দিলীপ ওরফে বিনাশের নির্দেশে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরদিন তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়, এরপর গোয়েন্দা পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও বিলাল রয়েছে, এবং সর্বশেষ গতকাল নরসিংদী থেকে কথিত শুটার রহিমকে আটক করা হয়। শফিকুল ইসলাম বলেন, “নির্ধারিত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সবাই চাঁদাবাজ হিসেবেই চিহ্নিত। এরা কোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী নয়, বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানরের আশ্রয় নিয়ে চাঁদাবাজি চালায়।” তিনি আরও জানান, এসব অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশ এখনো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই অভিযান শুরু হবে, যাতে এসব সিন্ডিকেট ভেঙে যায়।