কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় একটি হৃদয়বিদারক ঘটনার পর পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত ২৬ জুন, বাহেরচর পাচকিত্তা গ্রামের একটি বসতঘরের দরজা ভেঙে ২৫ বছর বয়সী এক নারী ধর্ষণের শিকার হন। ধর্ষণের প্রধান আসামি ফজর আলী (৩৮), যিনি একই গ্রামের বাসিন্দা, সোমবার ভোর ৫টায় ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়।
এ ছাড়া, এই নৃশংস ঘটনার ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অনিক, সুমন, রমজান ও বাবু নামের আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান নিশ্চিত করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার নারী নিজেই বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি করে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক গর্জন ওঠে, যারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
প্রথমে স্থানীয়রা ধর্ষণকারীর হাতে ফজর আলীকে আটকের পর মারধর করেন, যা থেকে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামিসহ শিক্ষিত চারজনকে আটক করে। ভুক্তভোগী নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি প্রায় ১৫ দিন আগে বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
এই ঘটনা পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অন্য কোনো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করার জন্য তৎপর রয়েছে। ন্যায়বিচারের জন্য সরকারি সব দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশিত।








