ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

কেরানীগঞ্জে বিদায়ী ও নবাগত কর্মকর্তাদের মিলনমেলা

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের বদলি, পদোন্নতি ও অবসরজনিত বিদায় অনুষ্ঠান এবং নবাগত কর্মকর্তাদের বরণ উপলক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান আয়োজন করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা অফিসার্স ক্লাব।

শনিবার (২৬ জুলাই) কেরানীগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শুভাশিস অহর্নিশ’ নামক এই অনুষ্ঠানে পুরাতন ও নতুন কর্মকর্তারা মিলিত হন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কারণে কিছুটা দেরিতে হলেও এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ছিল উদ্দীপনা ও আন্তরিকতার ছোঁয়া।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী কর্মকর্তারা তাদের কর্মজীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত ও অবদানের কথা তুলে ধরেন, সঙ্গে নবাগতরা কেরানীগঞ্জে দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহকারী কমিশনার রইস আল রেদোয়ান, মনিষা রানী কর্মকার, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম রেজা, উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল্লাহ, সহকারী প্রকৌশলী আসিফ উল্লাহ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: তানভীর হোসেন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মনসুর আহমেদসহ আরো অনেকে।

নবাগত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, জান্নাতুল মাওয়া, উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার বেগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোক্তাদ্দেস হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা কারিশা আহমেদসহ অন্যান্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে কর্মকর্তারা বলেন, ‘কর্মস্থল বদল হলেও হৃদয়ের বন্ধন অটুট থাকে, আর নতুন জায়গায় নতুন উৎসাহে কাজ শুরু করার সুযোগও মেলে।’ কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই আন্তরিক আয়োজন সম্পর্কে সকলেই গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেন এবং এটি প্রত্যেক কর্মকর্তার কাছে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদায়ী ও নবাগত কর্মকর্তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক এবং ফুলের তোড়া তুলে দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিনাত ফৌজিয়া।

দীর্ঘদিন পর পুরোনো সহকর্মীদের সাথে আনন্দঘন পুনর্মিলন ও নবাগতদের উষ্ণ বরণ অনুষ্ঠান পুরো অডিটোরিয়ামে একটি হৃদয়স্পর্শী পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই ধরণের আয়োজনকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।