ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

চট্টগ্রাম-ঢাকা তেল পাইপলাইন চালুর অপেক্ষা শেষ

জ্বালানি তেলের জন্য চট্টগ্রাম-ঢাকা তেল পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জুন মাসের শেষের দিকে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার, ১৯ মে, জাতীয় সংসদে গঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এই তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়।

বৈঠকের শেষলে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য বলেছেন, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য তিন মাসের তেলের মজুত সম্পূর্ণ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি, জ্বালানি সেক্টরকে অটোমেশন করার, বহুমুখী энергия সোর্স ব্যবহার করার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে জোর দেওয়া হয়েছে। সংকটের কারণে সরকারের সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মজুত বৃদ্ধি করতে নেত্রিত হওয়ার পাশাপাশি ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মজুত বাড়ানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বেসরকারি রিফাইনারি প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ দিতে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা একমত হয়েছেন। বিরোধীরা জ্বালানি বিষয়ক একটি স্থায়ী বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছেন। বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে কাঁচা তেল আমদানি করে পরিশোধন করার ব্যবস্থা রাখতে জোর দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফিলিং স্টেশন স্থাপন, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালার আধুনিকায়ন এর কাজ চলমান, পাশাপাশি গ্যাস বিপণনের ২০১৪ সালের নিয়মাবলি হালনাগাদ করে ২০২৬ সালের নতুন নিয়মপ্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বৈঠকে জ্বালানি সংকট নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিরোধী দলের সদস্যদের লিখিত পরামর্শ কমিটির কাছে পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি, কমিটি জ্বালানি পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ সংসদে একটি রিপোর্ট উপস্থাপন করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), হুইপ মিয়া নুরু্দ্দিন আহাম্মেদ অপু, মঈনুল ইসলাম খান, সাইফুল আলম, নূরুল ইসলাম, আবদুল বাতেন, আবুল হাসনাত এবং মোহাম্মদ আবুল হাসান।