ঢাকা | বুধবার | ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের দায়িত্ব নিচ্ছে ড্রাইডক

ছয় মাসের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি)

ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পেয়েছে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল)। 

সোমবার (৭ জুলাই) বর্তমান অপারেটর সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের কাছ থেকে দায়িত্ব

গ্রহণ করবে প্রতিষ্ঠানটি। এটিকে ‘ঐতিহাসিক পরিবর্তন’ হিসেবে দেখছেন অংশীজনরা। 

রবিবার (৬ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ইউএনবিকে

বলেন, ‘আশা করি নতুন এই উদ্যোগে বন্দরভিত্তিক সিন্ডিকেট ভাঙবে, দুর্নীতি কমবে,

গতিশীলতা বাড়বে এবং রাজস্ব আয় বাড়বে। এটি একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।’

নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইফ পাওয়ারটেকের সাথে এনসিটির বর্তমান

চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে কাল।

চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড আগে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের

একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। এটি মূলত চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়মিত ও জরুরি জাহাজ মেরামতের

জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: গণমাধ্যমের জন্য সমন্বিত আইনের প্রস্তব বিজেসির

২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং

এখন এটি নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি লিমিটেড কোম্পানি

হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এনসিটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব

নিচ্ছে সিডিডিএল। আজাদ বলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক

অপারেটরদেরও যুক্ত করা হবে।’

বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে

পরিচালিত হয় ।

ক্রমবর্ধমান কনটেইনারের প্রবণতা মাথায় রেখে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালটি নির্মিত

হয়। ২০০৭ সালের মে মাসে এক হাজার মিটার দীর্ঘ জেটি ও ৬৫ একর জমির ওপর ব্যাকআপ

সুবিধাসহ ৭৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু হয়। নির্মাণের

পর থেকেই এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল সাইফ পাওয়ার টেক।