ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম রূপালি পর্দার সীমা পেরিয়ে ডিজিটাল জগতে ফেরছেন — চরকির নতুন অরিজিনাল ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’-এ কেন্দ্রিয় চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা কাজী আসাদ। মিমের ওটিটি যাত্রায় ফেরার খবরটি প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে বার্তা বিনোদন মহলে উষ্ণ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল আরও বেড়েছে।
ওটিটি জায়ান্ট চরকি সোশ্যাল মিডিয়ায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে প্রজেক্টটির তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটির প্রথম প্রচার নের পোস্টার প্রকাশ করা হয়, যেখানে রহস্যময় আবহ বজায় রাখা হয়েছে। পোস্টারের ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, “লাইফের এই জার্নিতে সময় যখন এক বিশাল প্রতিপক্ষ।” প্রযোজনা পক্ষ জানিয়েছে, কাজী আসাদ পরিচালিত এই ছবি খুব শিগগিরই দর্শকদের সামনে আনা হবে।
নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এখনও ছবির গল্পের বিশদ অংশ ও অন্যান্য প্রধান চরিত্রের নাম গোপন রেখেছে। ফলে কাহিনীর সূত্রপাত, সংঘাত ও মিমের চরিত্রের প্রকৃত অবয়ব সম্পর্কে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে। চরকি ইঙ্গিত দিয়েছে যে ‘লাইফলাইন’ একটি জীবনঘনিষ্ঠ ও ভিন্নধর্মী গল্প হবে, যা সময় ও সম্পর্কের জটিলতা পর্দায় তুলে ধরতে চায়।
বর্তমান সময়ে বিদ্যা সিনহা মিম ভক্ত ও সমালোচকদের সমান নজর কাড়ছেন। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘মালিক’ ছবিতে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে এবং সেই সাফল্যের রেশ কাটতেই এবার তিনি ওটিটিতে নতুন রূপে দেখা দিতে যাচ্ছেন। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বাইরে ডিজিটাল মাধ্যমেও মিমের এই পদক্ষেপ তার পেশাগত বৈচিত্র্যকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চরকি গত কয়েক বছরে মানসম্পন্ন কনটেন্ট দিয়ে দর্শকের আস্থা অর্জন করেছে। কাজী আসাদের নির্মাণশৈলী ও মিমের মোটিভেটেড অভিনয় ক্ষমতা মিললে ‘লাইফলাইন’ও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রযোজনা পক্ষ জানিয়েছে শিগগিরই ছবির টিজার ও ট্রেইলার প্রকাশ করা হবে এবং মুক্তি সংক্রান্ত চূড়ান্ত তারিখও উন্মোচন করা হবে। আপাতত দর্শকরা মিমের নতুন অবতারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন এবং ‘লাইফলাইন’ সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিটি মুহূর্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।








