ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চাপ বাড়লেও ভোগান্তি নেই: ঈদের আগেই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে লাখ মানুষ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এক দিন আগে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন লাখো মানুষের ভিড়। রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘরমুখো ভিড় বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে; তবুও বড় কোনো ভোগান্তির দেখা মিলছে না।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকেই ফেরি ও লঞ্চঘাটে চাপ থেমে থেমে বেড়েছে। লঞ্চ ও ফেরি থেকে নেমে যাত্রীরা সরাসরি ঘাট পেরিয়ে তাদের গন্তব্যের পথে যাচ্ছেন, ফলে বেশি অপেক্ষার সময় হয়নি।

ঢাকার গাজীপুর থেকে যশোরগামী একজন গার্মেন্টস কর্মী সেকেন্দার আলী বলেন, পথে যানজট ছিল না। গাবতলি থেকে সরাসরি পাটুরিয়া এসে নদী পার হয়েছি, এখন শুধু বাড়ি পৌঁছে গেলেই হবে।

পাংশাগামী মোটরসাইকেল চালক নুর মোহাম্মদ বলেন, পাটুরিয়া থেকে সহজে মোটরসাইকেল নিয়ে ফেরিতে উঠতে পেরেছি, পথে সময় নষ্ট হয়নি। আরেক যাত্রী সুমন বলেন, বাসে ভাড়া একটু বেশি নেওয়া হয়েছে, তবু সবাই যেতে বাধ্য—ঈদের সময় ভাড়া বাড়ার অভ্যাস আছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন জানান, ভোগান্তি কমাতে ফেরির সংখ্যা ১৬টি থেকে বাড়িয়ে ১৭টি করা হয়েছে। পাটুরিয়া ঘাট থেকে যানবাহন ও যাত্রীরা সহজেই নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া প্রান্তে আসতে পারছেন। বর্তমানে ওই নৌরুটে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চালু রয়েছে এবং ঘাটে ভোগান্তি রোধে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছেন।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, কোনো অরাজকতা না ঘটে এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ঘাটে মোবাইল কোর্টসহ পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া রোধে আজ এক মাহিন্দ্র চালকের বিরুদ্ধে জনপ্রতি ৫০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। প্রশাসন আশা করছে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।