জামালপুর এবং কিশোরগঞ্জের দুটি distinct সমস্যা মিলিয়ে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারেনি। জামালপুরের প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৭ জন শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র না পাওয়ার কারণে পরীক্ষায় বসতে না পারায় তাদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয় এবং তারা কলেজ প্রাঙ্গণে আন্দোলন শুরু করে। ওই স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি না থাকার পরও, অধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম সেলিম বিভিন্ন কলেজ থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ প্রবেশপত্র সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। কলেজ অধ্যক্ষ থেকে যোগাযোগ না পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জেড. রহমান প্রিমিয়ার ব্যাংক স্কুল অ্যান্ড কলেজের মারজিয়া বেগম পরীক্ষার প্রবেশপত্র পায়নি কলেজ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে। ২ হাজার ৫০০ টাকা ফরম ফি সংবলিত ফরম পূরণ সত্ত্বেও তার অ্যাডমিট কার্ড না পাওয়ায় সে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। কলেজ অফিস সহকারী মো. শফিক স্বীকার করেছেন, ‘‘ডাবল ক্লিক’’ এর কারণে ফরম বাতিল হয়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তার পরিবার হতাশার উৎসমুখে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস.এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, প্রবেশপত্র দ্রুত বিতরণ না হলে ভুল সংশোধনের সুযোগ থাকে না। অনেক প্রতিষ্ঠান পরীক্ষার আগের দিনই প্রবেশপত্র দেয় যা সমস্যা সৃষ্টি করে। অফিস সহকারীর পক্ষ থেকে বোর্ডে কোনো যোগাযোগ না করাও এ সমস্যার এক কারণ। চলতি বছরে এইচএসসির জেলা জুড়ে ৫২টি কেন্দ্রে মোট ২৬ হাজার ৫৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। তবে এই দুই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ভ Webster ধরবার না পাওয়ায় পরীক্ষা এবং শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে যা দ্রুত সমাধানের দাবি উঠছে।









