ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ঢাকায় ১৪ দেশের ৫১ প্রবাসী ফুটবলারের বাফুফে ট্রায়াল শুরু

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবার দেশের বাইরে থাকা প্রবাসী ফুটবলারের উপর বিশেষ নজর দিয়েছে। হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশি পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী ফুটবলারের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়তে শুরু করেছে। শমিত সোম ও কিউবা মিচেলের পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন জায়ান হাকিম। এই ধারাবাহিকতায়, আগামী ২৮ থেকে ৩০ জুন ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৪টি দেশের ৫১ জন প্রবাসী ফুটবলারের অংশগ্রহণে একটি বড় ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বাফুফে ইতোমধ্যে আগ্রহী ফুটবলারের একটি তালিকা তৈরি করেছে এবং এই ট্রায়াল পরিচালনা করবে তার টেকনিক্যাল কমিটি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, কানাডা, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, ওয়েলস, ইতালি, মালয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া থেকে খেলোয়াড়রা অংশ নেবেন।

ট্রায়ালে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী যুক্তরাজ্য থেকে, যেখানে ২০ জন ফুটবলারের নাম নিবন্ধিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪ জন, সুইডেন থেকে ৫ জন, কানাডা থেকে ২ জন এবং বাকি দেশগুলো থেকে একজন করে খেলোয়াড় অংশ নেবেন। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা, যেখানে পঞ্চাশের বেশি প্রবাসী ফুটবলার একসঙ্গে ট্রায়ালে অংশ নিচ্ছে।

নিবন্ধনের শেষ তারিখ ২৭ জুন। অংশগ্রহণের জন্য খেলোয়াড়দের বয়সসীমা রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ২৭ বছর। ট্রায়ালের প্রধান লক্ষ্য থাকবে অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ বয়সের খেলোয়াড়দের সন্ধান করা।

ট্রায়ালে থাকবেন পাঁচ সদস্যের অভিজ্ঞ কোচিং প্যানেল, যার নেতৃত্ব দিবেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী টিটু। দেশের শীর্ষ ক্লাবের কোচ এবং বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক জাতীয় ফুটবলারেরাও অংশ নেবেন। জাতীয় দলের কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরাও বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন।

প্রতি দিন দুই ঘণ্টার দুটি সেশনে খেলোয়াড়রা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করবেন এবং শেষ দিনে একটি প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণকারী ফুটবলারেরা নিজস্ব খরচে ঢাকায় আসবেন, আর বাফুফে তাদের জন্য জার্সি, শর্টস ও মোজা প্রদান করবে। যেকোনো অন্য ব্যক্তিগত ফুটবল উপকরণ খেলোয়াড়দের নিজে মেরামত বা সংগ্রহ করতে হবে।

এই ট্রায়াল দেশের ফুটবলকে আরও গতিশীল করতে এবং প্রতিভাবান প্রবাসী খেলোয়াড়দের মিলিয়ে জাতীয় দলে নতুন শক্তি যোগ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।