ঢাকা | রবিবার | ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ফের ভূমিকম্প, আতঙ্কে নগরবাসী

রাজধানী ঢাকাসহ পাশ্ববর্তী এলাকাগুলিতে আবারো মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে নগরবাসীর মধ্যে। ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পটি ছিল হালকা মাত্রার। ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে নরসিংদীর শিবপুরে এর উৎপত্তি ঘটে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.১। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র থেকে জানা গেছে, এর উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ছিল ৩৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পূর্বে।

ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে এবং নরসিংদীর ৩ কিলোমিটার উত্তরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩০ কিলোমিটার। এর আগে, ১ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা ৫৫ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে অনুভূত হয় আরো eentje, যার রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.৯। কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের মিনজিন। এই ভূমিকম্প শক্তিশালী ছিল এবং চট্টগ্রামসহ দেশের কিছু অংশে তা গভীরভাবে অনুভূত হয়।

আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায় যে, ২৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় ভূমিকম্প হয়, যার রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩.৬। এর কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল। সেই দিন ভোরের দিকে সিলেট ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূমিকম্পও আঘাত হানে।

এর আগে, ২১ নভেম্বর শুক্রবার এবং পরের দিন শনিবার, মাত্র ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারবার ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল ২১ নভেম্বর সকালে হওয়া, যার রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৭। এর কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মাধবদী, ভূপৃষ্ঠ থেকে গড়ে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ওই ভূমিকম্পে দেশে অন্তত ১০ জন নিহত এবং পাঁচশোরও বেশি মানুষ আহত হন।

বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ ভূমিকম্পের মূল উৎসস্থল আবারো নরসিংদী অঞ্চল।