ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

তথ্যমন্ত্রীর মন্তব্য: সাংবাদিকদের সমস্যা ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয়

দেশের গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার জন্য প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সাংবাদিকদের পেশাগত ও জীবনযাত্রার সমস্যা giảiাধান করা। নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এই মন্তব্য জানিয়ে বলেছেন, সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও বিভিন্ন দাবিগুলোর একটিও অমীমাংসিত থাকলে গণমাধ্যমের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নতুন সরকারের প্রথমদিকে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দাখিল করার পর এটি ছিল তার প্রথম কর্মকর্তা সম্মেলন যেখানে তিনি সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

মতবিনিময়কালে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একটি প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য সাংবাদিকতার স্বাধীনতা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের পরিবর্তে তার আধুনিক ও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করবে। তাঁর মতে, যদি সাংবাদিকরা নির্ভয়ে ও স্বাচ্ছন্দ্যে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তবে সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এই জন্য তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। এই আয়োজনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে সংবাদপত্রের সংকট, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিষয় তুলে ধরেন। মন্ত্রী ধৈর্যসহকারে তাঁদের সমস্যাগুলোর কথা শোনেন এবং সমাধানে আশ্বাস দেন। তিনি জানান, সরকার গ্রন্থিমূলক ও সাংবাদিকবান্ধব নীতিমালা তৈরি করে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার ও সাংবাদিকদের সরাসরি আলোচনাটি ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক দিক ফলবে বলে মনে করেন তিনি।

স্বাগত ও আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডেরেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম। আরো ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিক ও বিএনপি বিটের সাংবাদিকরা। নেতৃবৃন্দ নতুন তথ্যমন্ত্রীর এই তৎপরতা ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, তাঁর অধীনে গণমাধ্যম নতুন প্রাণশক্তি পাবে। এভাবে নতুন সরকারের প্রথম দিনেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকবান্ধব পরিবেশ নির্মাণের আশার কথা উঠে এসেছে।