ঢাকা | বুধবার | ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

তানজিদের রেকর্ডে নাঈমের দখল ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫১ বলে ৬১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেললে এই ধরনের ইনিংস যদি কেউ খেলে, তবে দলের জয়ে যেমন সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তেমনি দর্শকদের মনে নতুন আশা জোগায়। তবে চট্টগ্রামে খেলা এই ম্যাচে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। জাকের আলী, শামীম হোসেনদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ হেরেছে ১৪ রানের ব্যবধানে। এর ফলে তানজিদের ঠাসবদ্ধ স্টোরির মাঝে একটু আক্ষেপও দেখা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন এক নতুন নজির। গত বুধবার বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করার রেকর্ড নিজের নামে লেখেন তানজিদ। তিনি চলতি বছর ২৩ ইনিংসে ৬২২ রান করেছেন, যা এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার স্ট্রাইকরেট ১৩৫.২১ এবং ইনিংসটি তিনি ফিফটি করে রান করেছেন ৬ বার। তার গড় ২৯.৬১। এ বছর তানজিদ ছক্কা মারেছেন ৩৪টি, যা বাংলাদেশের এক বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ নাঈমের দখলে। ২০২১ সালে নাঈম ২৬ ইনিংসে ৫৭৫ রান করেন, তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১০০.৩৪ এবং তিনি তিনটি ফিফটি করেন। তালিকায় নাঈমের পরে লিটন দাসের নাম দেখা যায়। এই বছর তিনি ২১ ইনিংসে ৫৬৪ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১৩২.৭০, এবং মোট চারটি ফিফটি করেছেন। ২০২২ সালে লিটন ৫০০র বেশি রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪০.২০ এবং রানসংখ্যা ছিল ৫৪৪। এক বছরে ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে দলের আরও একজন খেলোয়াড়—আফিফ হোসেন, যিনি ২০২২ সালে ৫০০ রান করেছিলেন, তার স্ট্রাইকরেট ১২৩.৭৬। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ কখনো এক বছরের মধ্যে ৫০০ এর বেশি রান করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ২০২১ সালে ৪৯৬ রান করেন, আর ২০১৮ সালে করেন ৪১৪ রান। মুশফিক ও সাকিবের এক বছরে সর্বোচ্চ রান যথাক্রমে ৩৯৭ ও ৩৪৯, যা তারা করেনি।