সরকার গত জুলাই মাসে তিন শ্রেণির ১,৭৫৭ জন আহত যোদ্ধার গেজেট প্রকাশ করেছে। সোমবার (২৯ জুলাই) রাতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে নজরগ্রাহী তথ্য তুলে ধরেছে।
গেজেটে ‘ক’ শ্রেণি (অতি গুরুতর আহত) ১০৯ জন, ‘খ’ শ্রেণি (গুরুতর আহত) ২১০ জন এবং ‘গ’ শ্রেণি (আহত) এক হাজার ৪৩৮ জনের নাম স্থান পেয়েছে।
আহত যোদ্ধাদের মধ্যে ‘গ’ শ্রেণির ১,৪৩৮ জনের বিভাগীয় বন্টন যথাক্রমে: চট্টগ্রাম ২২৬ জন, রংপুর ৯০ জন, ময়মনসিংহ ১১১ জন, বরিশাল ১১৬ জন, সিলেট ৮৮ জন, খুলনা ১৬৬ জন, রাজশাহী ২৩৬ জন এবং ঢাকা ৪০৬ জন।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর ৭ (খ) ধারা এবং ‘রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬’ এর সিডিউল-১ এর আওতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশের অনুমতি পেয়ে এই তালিকা প্রকাশ করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই গেজেট প্রকাশ করেছে, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ প্রকাশনার ফলে মোট জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে: ‘ক’ শ্রেণিতে ৬০২ জন, ‘খ’ শ্রেণিতে ১,১১৮ জন এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ১২,০৩৮ জন।
বিধিমালা অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণির আহত যোদ্ধারা এককালীন ৫ লাখ টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ২ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে; বাকি ৩ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরে প্রদান করা হবে। এদের প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতাও প্রদান করা হয়।
‘খ’ শ্রেণির আহতরা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন, গত বছর তাদের এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি ২ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরে দেওয়া হবে। মাসিক ভাতা ১৫ হাজার টাকা।
‘গ’ শ্রেণির আহতরা এককালীন এক লাখ টাকা পেয়ে গেছেন এবং প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
এই প্রণোদনা ও পুরস্কার তাদের সার্বিক কল্যাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে শারীরিকভাবে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সাহায্যের প্রতিশ্রুতি জ্ঞাপন করা হয়েছে।








