ঢাকা | রবিবার | ৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৭ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু

দেশে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ একটি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় ১৮টি জেলায় ৩০টি উপজেলায় একযোগে কাজ শুরু হয়েছে, যেখানে 6 মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হামের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টার দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এই টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, হামে আক্রান্তের ৮২ শতাংশই হলো পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এ কারণে দেশের এই বয়সের শিশুদের টিকাদানে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, আজ থেকে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। তবে আক্রান্ত বা অসুস্থ শিশুদের এই মুহূর্তে টিকা দেওয়া হচ্ছে না। অসুস্থ শিশু ছাড়া বাকি সবাইকে টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও খাওয়ানো হবে, আর যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ, তাদের কেবল ভিটামিন ‘এ’ দেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, প্রথম ধাপে এই কর্মসূচি চলবে ১৮টি জেলায় ৩০টি উপজেলায়, যেগুলোর মধ্যে হামের প্রকোপ বেশি। এই এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, ভোলাগঞ্জ ও সদর, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।

এই প্রথম পর্যায়ের কার্যক্রম শেষে ধাপে ধাপে অন্যান্য জেলাগ Rid করা হবে, যাতে করে দ্রুত হামের বিস্তার রোধ সম্ভব হয়। আশা করা হচ্ছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখা এবং একসাথে সুস্থ ও সচেতন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।