নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ সফল হতে দেয়নি এবং ভবিষ্যতেও যাতে তা সম্ভব না হয়, সে ব্যাপারে দৃঢ় আশ্বাস ব্যক্ত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারির কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে দেখা গেছে, আগামী নির্বাচনে কারা বেশি আসন পাবে—এমন প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৬৬ ভাগ উত্তরদাতা বিএনপির পক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন ২৬ শতাংশ মানুষ, যেখানে দুই দলের মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশের ব্যবধান। এছাড়া অন্যান্য কোনও উল্লেখযোগ্য দলের সমর্থন এক শতাংশের নিচে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিএনপির বিপুল জনসমর্থন দেখে কেউ কেউ হতাশ হয়ে ষড়যন্ত্রের পথে যাবার চিন্তা করতে পারেন, কিন্তু জনগণ তাদের দৃঢ় মনোভাবের কারণে এসব ষড়যন্ত্র সফল হবে না।
বিএনপির অন্যতম প্রধান নেতা উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদের পতন এবং নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তিনি জানান, এই দুটি লক্ষ্য অর্জন হয়েছে—ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। এখন মূল দায়িত্ব হলো, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করে জনগণের ইচ্ছে বাস্তবায়ন। তিনি বলেন, দেশের জনগণ কিছুদিন আগে এক কানিশ্বরের মতো অভিশপ্ত, রোষানলে ভরা একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে।
নজরুল ইসলাম খান দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, এই বিজয়ী জনগণ কোনও ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হবে না। অতীতে যে কোনও ষড়যন্ত্রই তাদের সফল হতে দেয়নি, ভবিষ্যতেও দিতে আসবে না। উল্লেখ্য, এই আলোচনা সভা বিএনপির আয়োজিত দীর্ঘ দিনের ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।









