দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বগুড়া।
সোমবার, ২০ এপ্রিল দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই নতুন প্রশাসনিক ইউনিটের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনের প্রথম কাজে সিটি করপোরেশন চত্বরে বৃক্ষরোপণও করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর সূচনা হয় সকালে ঢাকার গুলশান থেকে; তিনি সকাল ৬টায় সড়ক পথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হন এবং সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান। পরে তিনি পায়ে হেঁটে জেলা জজ আদালতে গিয়ে সাড়ে ১১টায় ই-বোইল বন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এরপর ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু ঘোষণা করা হয়। উদ্বোধন শেষ করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ পৈতৃক এলাকা বাগবাড়ীর উদ্দেশে রওনা হন, যেখানে একাধিক কর্মসূচি আছে। সেখানে তিনি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অংশ নেবেন, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন এবং পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন।
সফরের পরবর্তী তালিকায় বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ভাষণ শেষে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বগুড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন ও একই সময়েই বগুড়া বাইতুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পূর্ণনির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৬টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে সন্ধ্যা ৭টায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
তথ্যসূত্র অনুযায়ী, ২০০৬ সালে তৎকালীন সরকার বগুড়া পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ করে আশপাশের ৪৮টি মৌজা যুক্ত করে এবং ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়িয়ে ১২ থেকে ২১ করা হয়। দীর্ঘদিন থেকেই বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে এই পরিকল্পনা কার্যকর হয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনে বগুড়া সিটি করপোরেশন রূপে আত্মপ্রকাশ করল।









