বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) তার সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও চারটি হাসপাতালে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই খুশির খবর সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকাবাসীর জন্য আনন্দের বার্তা। রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নতুন করে চারটি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সদস্যরা এখন থেকে আরও বেশি সুবিধা পাবেন। এই চারটি হাসপাতাল হলো: ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল পিএলসি, ইবনে সিনা ট্রাস্ট, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল এবং ইয়র্ক হাসপাতাল লিমিটেড। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান। অন্যদিকে, হাসপাতালের প্রতিনিধিরা ছিলেন ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান, ইবনে সিনার এজিএম ও ডেপুটি হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট জিএম তারিকুল ইসলাম, শিপের বোর্ড ডিরেক্টর ফুতোশি কোโน, এবং ইয়র্ক হাসপাতালের পরিচালক (সাবেক পরিচালক) নজরুল ইসলাম। এই চুক্তির ফলে বিজিএমইএ’র সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য এখন থেকে এই চারটি হাসপাতালসহ মোট ১৪টি শীর্ষমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিশেষ ডিসকাউন্টে চিকিৎসা ও ডায়াগনস্টিক সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিদেশে গিয়ে ব্যয়বহুল চিকিৎসা না করেও দেশেই বিশ্বমানের স্বাস্থ্যের সেবা পেতে পারবে। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের ভঙ্গুর কল্যাণে বিজিএমইএর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বিজিএমইএ আশুলিয়ায় একটি বৃহৎ হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে, যা ভবিষ্যতে পোশাক খাতের জন্য একটি মানসম্মত ও স্থায়ী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর সহযোগিতা নিশ্চিত হলে, পোশাক শিল্পের শ্রমিক এবং তাদের পরিবার আরও নিরাপদ ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মো. হাসিব উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ মাসুদ কবির, খন্দকার মহিদুর রহমান শাহীন, নুরুল তপন, মল্লিক নাসিম আহসান ও অন্যান্য কর্মকর্তারা। স্বাক্ষরকারী পক্ষসমূহ বলেছে, দেশের পোশাক খাতের পাশে দাঁড়াতে পেরে তারা গর্বিত ও আনন্দিত। বিজিএমইএ আশা করে যে, এই উদ্যোগের ফলে পোশাক শিল্পে একটি টেকসই ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা শিল্পের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।









