বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিশেষ বর্ষার গান নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের সামনে হাজির করেছে শিল্পী বর্ণালী সরকার ও জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। বর্ষারอม্ভূত পরিবেশে, যখন শহর-গ্রামে বৃষ্টির ছোঁয়া ফিরে এসেছে, তখনই গানটি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। গানটির শিরোনাম বর্ষা ঋতু এলো এলো।
মাঝারি ঢঙের এই সংগীতায়োজনে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কণ্ঠের সুহৃদ্যতাকে এবং সেতারের মৃলতাভিত সুরকে। দুই শিল্পীর কণ্ঠের সমন্বয় শ্রোতাদের মন জুড়িয়েছে, আর জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণের সেতারের মূর্ছনা গানের আবহকে আরও নরম ও সরস করেছে।
গানটিতে পাখাওয়াজ ও তবলায় সংগত করেছেন রবীন্দ্রনাথ পাল, পিয়ানো সুরে সহযোগী হয়েছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর। মিক্সিং ও মাস্টারিং-এর কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ, যার ফলে গানটির সামগ্রিক শব্দচিত্র করেছেন সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ।
শিল্পীরা জানান, বিশ্ব সংগীত দিবস তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বর্ষা যেমন প্রকৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে, তেমনি বর্ষার গান মানুষের হৃদয়ও সতেজ করে। এই অনুভূতিটিই গানটির মাধ্যমে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই তারা কাজ করেছেন। সেই উদ্দেশ্যপূরণে ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সূক্ষ্ম বিন্যাস ও আধুনিক সাউন্ড টেকনিকের সংমিশ্রণ করা হয়েছে।
শিল্পীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে নজরুল সংগীতের মৌলিক সুর ও নান্দনিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে তৈরি এই ভিন্নধর্মী আঙ্গিকটি প্রবীণ ও তরুণ—দুই পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে। গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং শ্রোতাদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে.







