ঢাকায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) পরিচালিত সিভিল এভিয়েশন একাডেমির উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও) অনুমোদিত ট্রেনিং ইনস্ট্রাক্টরস কোর্স (টিআইসি)-এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (১৮ মে) বেবিচকের সদর দপ্তরের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বেবিচকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ২৪ জন কর্মকর্তা সফলভাবে টিআইসি কোর্স সম্পন্ন করে সনদ গ্রহণ করেন। আয়োজকদের উদ্দেশ্য দেশের এভিয়েশন খাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা—বিশেষত প্রশিক্ষক হিসেবে দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন করা।
সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী ‘‘ওভারভিউ অব এভিয়েশন ট্রেনিং’’ শীর্ষক উপস্থাপনায় আইকাওর গ্লোবাল এভিয়েশন ট্রেনিং (জিএটি), ট্রেইনএয়ার প্লাস প্রোগ্রাম, প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রধান অতিথি বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক অনুষ্ঠানে বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনবল প্রয়োজন এবং এ ক্ষেত্রে সিভিল এভিয়েশন একাডেমির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেন, এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, এভিয়েশন সিকিউরিটি, এরোড্রোম অপারেশনস ও রেসকিউ অ্যান্ড ফায়ার ফাইটিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সিমুলেশন, মাঠ পর্যায়ের অনুশীলন ও পারফরম্যান্স মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের প্রশিক্ষণ নিরাপত্তা ও দক্ষতা বাড়ানো হবে।
প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী আরও বলেন, কোর্স সম্পন্নকারী কর্মকর্তারা এখন আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক হিসেবে সক্ষমতা-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করতে পারবেন। জব টাস্ক অ্যানালাইসিস ও ট্রেনিং নিড অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে একাডেমিকে আঞ্চলিক উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে বেবিচকের অন্যান্য সদস্য, পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।








