ঢাকা | বুধবার | ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

শাকিব ঝড়ে কেঁপে উঠছে প্রেক্ষাগৃহ

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’ ঈদুল ফিতরে মুক্তির পর থেকেই দেশের প্রেক্ষাগৃহে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রথম দিন থেকেই দর্শকের উপচে পড়া ভিড়, প্রতিটি শোর দ্রুত ‘হাউজফুল’ হওয়া—সব মিলিয়ে সিনেমাটি বক্স অফিসে চমক দেখাচ্ছে বলে দাবি করেছেন নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ।

মুক্তির শুরুতে কয়েকটি হলেই যান্ত্রিক গোলযোগ এবং শো বিলম্বের কারণে দর্শকদের মধ্যে সাময়িক অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। তবে পরিচালক বলেন, এসব সীমিত প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলার পর চলচ্চিত্রটি দর্শকদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভাঙার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাঁর মতে, বড় সংখ্যক দর্শকই সিনেমা দেখে সন্তুষ্ট হয়ে বাড়ি ফিরছেন, তাই সেরকম কিছু নেতিবাচক মন্তব্য দিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নির্ণয় করা ঠিক হবে না।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার কারিগরি দিক—বিশেষ করে সিজি ও কালার গ্রেডিং নিয়ে উঠা সমালোচনাকে পরিচালক উদ্দেশ্যমূলক ‘অপপ্রচার’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ছবি থেকে নেওয়া বিশেষ সেকশনগুলো বিকৃতভাবে প্রচার করে মানহীন হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। তবুও নির্মাতা বলেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা স্বাগত; পরিকল্পিতভাবে কাজকে নলেজানোর প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

শাকিব খান নিজেও মুক্তি পরবর্তী সমস্যাগুলো সমাধানে সরাসরি সক্রিয় হয়েছেন। নির্মাতা জানালেন, শাকিব শো বিলম্ব বা যান্ত্রিক ত্রুটির খবর রেখে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং দর্শকদের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিচ্ছেন। এর ফলে শিগগিরই শোগুলি নিয়মিত করার আশা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে যেসব প্রতিবন্ধকতা শুরুতে দেখা দিয়েছিল সেগুলো পেরিয়ে ‘প্রিন্স’ এখন দেশজুড়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছানোর পথে রয়েছে। নির্মাতা ও টিমের আস্থায় তারা মনে করেন, শাকিবের এই সফলতা—যা অনেকে ‘শাকিব ঝড়’ হিসেবে মন্তব্য করছেন—আশা করা যায় আরও দিন ধরে বজায় থাকবে।