ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

সরকার টেকসই ও সবুজ পর্যটনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে: শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, সোনারগাঁও, রামপাল, বজ্রযোগিনী এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল। এই সব স্থান দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে।

তিনি আরও জানান, বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান এখনও কম। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের পর্যটন খাত অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। সরকার এখন টেকসই ও সবুজ পর্যটনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশগত টেকসইতা এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের ভারসাম্য বজায় রেখে এই খাত উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

আজ ঢাকায় একটি হোটেলে ‘Workshop on Sustainable Practices in Green Tourism’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ অন্য অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), বাংলাদেশ এবং এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপানের যৌথ আয়োজনে এই কর্মশালায় বাংলাদেশসহ ২৪টি এপিওভুক্ত দেশের প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করছেন। এনপিও’র মহাপরিচালক মোঃ নুরুল আলম স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, গ্রীন ট্যুরিজম বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধমান খাত। বিশ্ব ইকো ট্যুরিজমের বাজারের পরিধি ছড়িয়ে পড়লেও এটি প্রধানত ছোট কমিউনিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশেও টেকসই ও গ্রীন পর্যটন উন্নয়নের অগণিত সুযোগ রয়েছে।

এই চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালায় ট্র্যাবরিজম, টেকসই ইকো ট্যুরিজম, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ১৫টি সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে এপিও’র সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা টেকসই পর্যটন নিয়ে গবেষণা ও ধারণা উপস্থাপন করবেন।