ঢাকা | রবিবার | ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

সারাবিশ্বের সঙ্গে আজ বাংলাদেশেও মুক্তি পেল ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’

বিশ্বখ্যাত হলিউড ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্টার ওয়ার্স’-এর নতুন অধ্যায় ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’ নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুক্তির সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ শুক্রবার (২২ মে) বাংলাদেশে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে।

ডিজনির স্টার ওয়ার্স ইউনিভার্স ও জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’-কে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমার পরিচালনা করেছেন জন ফ্যাভরো। প্রধান ভূমিকায় দেখা যাবে পেড্রো প্যাসকালকে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট ও সিগুর্নি ওয়েভার।

কাহিনী আবর্তিত হয়েছে নিউ রিপাবলিকের অস্থির সময়ে। সাম্রাজ্য ধ্বংসের পরও ছদ্মবেশে থাকা ইম্পেরিয়াল অবশিষ্ট বাহিনী এবং হাট কার্টেলের গোপন ষড়যন্ত্র গ্যালাক্সিতে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ষড়যন্ত্রকারীরা জাব্বা দ্য হাটের ছেলে রোট্টাকে অপহরণ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা সাজায়।

ডিন জারিন ও তাঁর ছোট সঙ্গী গ্রোগু প্রথমে ঘটনাটিকে একটি সাধারণ উদ্ধার অভিযান মনে করলেও ধীরে ধীরে নানা গোপন রহস্য উন্মোচন হয়। জানা যায়, ইম্পেরিয়াল বিজ্ঞানীরা গ্রোগুর ফোর্স ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সংবেদনশীল ক্লোন সেনাবাহিনী গঠনের পরিকল্পনা করছে—যা গ্যালাক্সির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি হিসেবে দেখা দেয়।

সিনেমায় গ্রোগুর শক্তিকে নতুন রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে; সে শুধু প্রতিরক্ষাই করে না, ম্যান্ডোর জীবন বাঁচাতেও ভূমিকা রাখে। কিন্তু পুরো গল্পের আবেগীয় কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ম্যান্ডো ও গ্রোগুর টানাপোড়েনপূর্ণ ‘বাবা-ছেলে’ সম্পর্ক—যেটিই দর্শকদের সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে যায়।

আইম্যাক্স স্কেলে নির্মিত চোখধাঁধানো ভিজুয়াল এবং শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাকশন দৃশ্য সিনেমাটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। ট্রেলার প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া মিশ্র হলেও বড় পর্দায় ম্যান্ডো ও গ্রোগুর রসায়ন দেখার জন্য অনেক দর্শকই হলে ভিড় জমাচ্ছেন।