বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা অভিষেক বচ্চন শুধু পর্দার জনপ্রিয় মুখই নন, তিনি এখন একজন সফল ব্যবসায়ীক התנেরও পরিচিতি লাভ করেছেন। তার বিনিয়োগের ক্ষেত্র খুবই বৈচিত্র্যময় এবং স্বতন্ত্র, যেখানে তিনি শুধুই লাভ-ক্ষতির হিসেব দেখেন না, বরং নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পণ্য ও সংস্থাগুলোর গুণাগুণ যাচাই করে বিনিয়োগ করেন। নিজের প্রখর ব্যবসায়িক চেতনা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি মুম্বাইয়ের বড় বড় নির্মাণ সংস্থা থেকে শুরু করে নানা ধরণের সম্ভাবনাময় স্টার্ট-আপে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন।
অভিষেক মনে করেন, তিনি যখন কোনো পণ্যের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত হন ও সেটি ব্যবহার করে সন্তুষ্ট হন, তখনই তার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। এরই মধ্যে তার এই পদ্ধতি বেশ সফল হয়েছে। এক উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ২০১৯ সালে এক বিশেষ ধরনের ঝাল সস ব্যবহার করে যার স্বাদে তিনি মুগ্ধ হন, সেসময় তিনি সরাসরি সংস্থাটির সঙ্গে যোগাযোগ করে অংশীদার হতে চেয়েছিলেন। ফলস্বরূপ, সেই সংস্থা ব্যাপক ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে ২০২২ সালে প্রায় ১০ লক্ষ ডলার আয় করে। এছাড়াও, তিনি একটি ফুড ডেলিভারি অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নানা নতুন সংস্থার খোঁজ রাখেন এবং সেগুলিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনাও করেন।
অভিষেকের ব্যবসায়িক স্বপ্ন আরও বিস্তৃত—তিনি খেলাধুলা সংক্রান্ত দল ও রিয়েল এস্টেট খাতেও বিনিয়োগ করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল আবাসন ও নির্মাণ প্রকল্পে তার বিনিয়োগের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ২১৯ কোটি টাকা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও স্বাদের সমন্বয়ে তিনি ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তুলছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি এই ব্যবসায়িক সফলতা, তার একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে, যা বলিউডের অন্য তারকদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল কথা বলতে গেলে, অভিষেক বচ্চন নিজেকে এক বিচক্ষণ ও দূরদর্শী বিনিয়োগকারীরূপে প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার আর্থিক ভিত্তি এখন শক্তপোক্ত।







