ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

হালান্ড ছাড়া ম্যান সিটি—মারমুশের ডাবলে নিউক্যাসলকে ৩-১ হারিয়ে এফএ কাপের শেষ আটে

ম্যানচেস্টার সিটি তাদের প্রধান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডকে ছাড়াই মাঠে নামলেও তা দলকে ঠেকাতে পারেনি। নরওয়েজীয় স্ট্রাইকারের অনুপস্থিতিতে সুযোগ পাওয়া মিশরীয় ফরোয়ার্ড ওমর মারমুশ দুই গোল করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে এলেন এবং নিউক্যাসলকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে পেপ গার্দিওলার শিষ্যদের এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন।

ম্যাচের শুরুতে নিউক্যাসলের আক্রমণাত্মক ফুটবল সিটিকে বেশ আটকে দিয়েছিল। তবে প্রথমার্ধের শেষের দিকে ব্রাজিলীয় তারকা সাভিনহোর সমতাসূচক গোল ম্যাচের রূপরেখা বদলে দেয় এবং পরের সময়ে সিটির চাপ বেড়ে যেতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে মারমুশ পুরোপুরি ঝাঁপিয়ে পড়েন—চমৎকার ফিনিশিংয়ে একের পর এক দুটি গোল করে তিনি জয়কে নিশ্চিত করেন। বিশেষ করে লক্ষ্যযোগ্য, সিটির হয়ে তাঁর করা ১৪টি গোলের প্রায় অর্ধেকটি হয়েছে নিউক্যাসলের বিপক্ষে, যা একটি নজিরই বলা যায়। ৭৩ মিনিটে মাঠ ছাড়ার সময় কোচ গার্দিওলা তাঁকে জড়িয়ে দিয়ে ‘শীর্ষ স্ট্রাইকার’ বলে প্রশংসা করেন।

এফএ কাপের সাম্প্রতিক সময়ে ম্যানসিটির পরফরম্যান্সও চমকপ্রদ—গত ২১টি কাগজে ১৯টিতে জয় তাদের। শুধুমাত্র দুই বছর আগের ফাইনালের পরাজয়ের কথা ছাড়া এই ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় খুব কমই হার স্বীকার করেছেন। বড় পরিবর্তন সত্ত্বেও দলের ধারাবাহিকতা দেখে বিশ্লেষকরা মনে করেন, টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠা সময়ের ব্যাপারেই রয়ে গেল।

সিটির পাশাপাশি এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল ও চেলসি। আর্সেনাল ম্যানসফিল্ড টাউনের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে কষ্টার্জিত জয় তুলে নেয়—ম্যাচের নির্ধারক গোলই তাদের শেষ আটে পৌঁছে দিয়েছে এবং চার শিরোপার স্বপ্নকে টিকিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে চেলসিকে রেক্সহ্যামের বিপক্ষে অপেক্ষাকৃত কড়াকড়ি খেতে হয়েছে; নিয়মিত সময়ে ফল সমতা হওয়ায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় এবং অতিরিক্ত সময়েই চেলসি ৪-২ গোলে জয় নিশ্চিত করে।

সব মিলিয়ে এফএ কাপের নকআউট পর্ব এখন আরও উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিটি ম্যাচেই বড় উত্তেজনা ও নাটকীয় মুহূর্তের প্রত্যাশা করতে হবে দর্শকদের।