ঢাকা | বুধবার | ৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আগস্ট ৫, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর উদ্বোধন করেন, যেখানে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য। প্রধানমন্ত্রী এদিন ফলক উন্মোচন করে দাপ্তরিক উদ্বোধন সম্পন্ন করেন এবং সকালে তাকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার সচিবালয়ে

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নতুন নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী কক্ষ পরিদর্শন করেন। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে এই ঐতিহাসিক জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর তিনি সেখানে সংরক্ষিত يوليو গণঅভ্যুত্থানের স্মারক, সাহসী আত্মত্যাগের চিত্র ও সংগ্রামের দালিলিক রেকর্ডগুলো নিবিড়ভাবে দেখেন। সকাল ৯টায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়,

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতিফলন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ কেবলমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য চিত্র। তিনি বিশ্বাস করেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং তাদের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করবে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন, “জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচন করবে।”

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের এক জীবন্ত প্রামাণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বুধবার রাজধানীতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে তিনি বলেন, “কোনো ত্যাগ, কোনো সংগ্রাম কখনো বৃথা যায় না। ইতিহাস কখনো মিথ্যা হয় না। জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারই দৃশ্যমান প্রমাণ।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশ বছর ধরে চলা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত সাফল্য

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বললেন, ডিসেম্বরে আসুন, রাজপথে দেখা হবে

নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার যে প্রচার চালানো হচ্ছে, তার জবাবে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে। আমরা অপেক্ষা করছি। দেশে আসুন, ইনশাল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।” গত জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের