ঢাকা | শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আইএল টি-টোয়েন্টিতে সাকিব-মোস্তাফিজের ঝোড়ো পারফরম্যান্স: জয় পেলো এমিরেটস ও ক্যাপিটালস

সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান আন্তর্জাতিক লিগ টি-টোয়েন্টির ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে হয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। রবিবার রাতে দুটি পৃথক ম্যাচে সাকিব আল হাসান এবং মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ খেলায় তাদের দল এমআই এমিরেটস ও দুবাই ক্যাপিটালস বড় জয় অর্জন করে।

ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে দোহার ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নামা সাকিব আল হাসান অতুলনীয় অলরাউন্ডার পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। শুরু থেকে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো খেলতে থাকা তিনি ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তার স্পেল ছিল অত্যন্ত অর্থবহ—১২টি বলে ১২টি ডট বল, আর কোনও বাউন্ডারির মুখ দেখা হয়নি। তার এই অর্থনৈতিক বোলিংয়ের কারণে ডেজার্ট ভাইপার্সরা ১২৪ রানে হার মানে। এরপর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এমআই এমিরেটস ১৫ বল আগে ৬ উইকেটের সহজ জয় নিশ্চিত করে। সাকিব bat হাতেও অপরাজিত থাকেন ১৭ রানে, যা দলের জয়কে আরও দৃঢ় করে।

অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মোস্তাফিজুর রহমান। শুরুতে ট্যাকটিক্যালভাবে কিছুটা মূল্যবান হলেও, তিনি দ্রুত নিজেদের বদলে দেন। বিশেষ করে ইনিংসের ১৪তম ওভারে একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মাত্র ৪ বলের মধ্যে তিনি জেমস ভিন্স, আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও শন ডিকসনের উইকেট তুলে নেন। ৩.৫ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে তিনি ৩ উইকেট নেন এবং ম্যাচের সেরার পুরস্কারটি অর্জন করেন। এই টুর্নামেন্টে তার মোট উইকেট সংখ্যা এখন ১৪। মোস্তাফিজের এই দারুণ বোলিংয়ের কারণে গালফ জায়ান্টস ১৫৬ রানে অলআউট হয়, আর দুবাই ক্যাপিটালস ৬ উইকেটের জয় পায় ৪ বল একে বাকি থাকতেই।

উভয় ক্রিকেটারের এই উত্তেজনাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তারা আশা করছেন, এই পারফরম্যান্স নিজেদের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।