নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মহাদেবপুর হাট। তবে সম্প্রতি এই হাটের ইজারা নিয়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাটের নির্ধারিত স্থান না থাকার কারণে ধানের বাজারটি এখন মহাসড়কের উপরে বসে। এ পরিস্থিতি চরম যানজট, ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এছাড়াও, ইজারাদার কামাল হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন, কারণ তারা থেমে থেমে টোল আদায়ে বাধা পেয়েছেন এবং ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের সুদ ঝুলছে।
জানা যায়, মহাদেবপুর হাট প্রতি সপ্তাহে দুই দিন বসে: বুধবার ও শনিবার। এর মধ্যে গরুর হাট বসে সপ্তাহে এক দিন, শনিবার। এই হাটটি ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য ইজারা নেওয়া হয়, যার মূল্য ছিল প্রায় ২ কোটি ৫১ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ইজারা নেওয়ার পর থেকেই স্থান নির্ধারিত করার জন্য কামাল হোসেন উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন বার আবেদন করেছিলেন, তবে এখনও অফিসিয়ালি তার স্থান নিশ্চিত করে দেওয়া হয়নি। ফলে, ইজারার সময় শেষের আগেই তিনি বড় ক্ষতির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সাধারণত যেখানে ছাগল বাজার বসত, সেই স্থানটি বর্তমানে ভূমি অফিসের নির্মাণকাজের কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। পূর্বে ব্যবহৃত গরুর হাটের স্থানও ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে, যা ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমির কারণে। ফলে বর্তমানে বড় আকারের গরুর হাটটি টিকে থাকলেও, অনেক ব্যবসায়ী জন্য পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে কঠিন হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাদেবপুর উপজেলা দেশের অন্যতম বড় ধানের মোকাম। এখানে বেশ কয়েকটি ধানের বড় বাজার বসে, তবে নির্ধারিত স্থান না থাকায় এই বাজারগুলি এখন আঞ্চলিক প্রধান সড়কের ওপর বসে। এর ফলে যানজট, লোকদুর্ভোগ এবং চলাচলের বিঘ্ন ঘটে।
ইজারাদার কামাল হোসেন বলেন, সরকার চাইলে সহজেই হাটের স্থান সম্প্রসারিত করতে পারে। আশপাশের বেশ কিছু জমি অধিগ্রহণ করে দ্রুত জায়গা সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নিলে, এই বিলম্ব ও জনদুর্ভোগ কমে যাবে। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই হাট থেকে প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। স্থান সম্প্রসারণের মাধ্যমে তা আরও বাড়ানো সম্ভব। তবে, বর্তমানে







