জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার দ্বিতীয় পর্বের আলোচনায় জামায়েতে ইসলামী কোনও প্রতিনিধি অংশ নেননি। বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে জামায়াতের জন্য সংরক্ষিত আসনটি মধ্যাহ্নভোজের আগ পর্যন্ত ফাঁকা ছিল।
জামায়াতের আলোচনায় অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। অনেকে মনে করছেন, কমিশনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জামায়াতের আপত্তি থাকার কারণে তারা মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত হননি।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “কেন জামায়াত আলোচার্যে যোগ দেয়নি, সে বিষয়ে ভালো উত্তর দিতে পারবেন কমিশন।”
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, “আমরা যতটুকু জানি, জামায়াত আজকের বৈঠক প্রতীকীভাবে বয়কট করেছে। ঐকমত্য কমিশনের আজকের আলোচনার বেশ কিছু বিষয়ে তারা একমত হতে পারেনি, তাই অংশগ্রহণ করেনি।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের আজকের আলোচনায় থাকা উচিত ছিল। তারা যদি মধ্যাহ্নভোজের পরেও আলোচনায় অংশ না নেয়, তবে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আদর্শিক কারণে আমরা বেশিরভাগ বিষয়ে একমত, তবে নারীদের জন্য আলাদাভাবে ১০০টি সংরক্ষিত আসন রাখা প্রয়োজনীয় মনে করি না। নারীদের ক্ষমতায়ন আমাদেরও কাম্য, কিন্তু তা যেন কোনো বৈষম্যমূলক পন্থায় না হয়।”
বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল মনে করছে, নারী আসনসহ কয়েকটি বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে মতানৈক্যের কারণে জামায়াত আলোচনা শুরুতে অংশ নেয়নি।








