নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছেন। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের ফল ‘মুভিং বাংলাদেশ’ শিগগিরই বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে — সালের শুটিং সম্প্রতি শুরু হওয়ার খবর নিজেই নির্মাতা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা শহরের ২০টি বৈচিত্র্যময় লোকেশনে এই ছবির দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় বছর ধরে চলছে চিত্রনাট্য রচনা এবং ব্যাপক গবেষণা; সেই পরিশ্রমের পরিণতি এবার ক্যামেরার সামনে আসছে।
সিনেমার কাহিনি মূলত একজন বাইক রাইডারের জীবনযুদ্ধ, ব্যক্তিগত স্বপ্ন ও প্রতিকূলতার কাঁথায় মোড়া। নুহাশ হুমায়ূন বলেন, এটি মাত্র একজন চালকের গল্প নয়—একই সঙ্গে এটি সমসাময়িক বাস্তবতা ও তরুণ প্রজন্মের সামাজিক সংগ্রামের একটি প্রতিচ্ছবিও বয়ে আনবে। তিনি দর্শককে স্থানীয় জীবনandan-এর পরিচিত মুখ হিসেবে নয়, বরং সময়ের সংকট ও আশার মাঝখান থেকে ওঠা কাহিনি হিসেবে এই ছবিটি উপস্থাপন করতে চান।
নির্মাতা বলেছেন, পুরো শুটিং সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রধান অভিনয়শিল্পীদের নাম প্রকাশ করা হবে না। নুহাশের ভাষ্য, “আমরা টানা শুটিং শেষ করতে চাই; এরপর ধীরে ধীরে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেব।” এই রহস্য বজায় রেখে নির্মাণপ্রক্রিয়া দ্রুততরভাবে চালানো হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ছবিটি নির্মাণ শুরুর আগেই ইতিবাচক প্রতিফলন পেয়েছে। ২০২১ সালে তাইওয়ান ফিল্ম কমিশন থেকে বড় অংকের অনুদান পাওয়ার পাশাপাশি ভারতের ফিল্ম মার্কেট, কানের ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’ এবং লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসহের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেও প্রশংসা ও সহযোগিতা এসেছে।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘গুপী বাঘা’র আওতায় পরিচালিত এই ছবির শুটিং চলবে মে মাসের মধ্যভাগ পর্যন্ত; এর পর শুরু হবে সম্পাদনার কাজ। নির্মাতা-টিম আশা করছেন, সম্পূর্ণ কাজ শেষের পর দর্শকের সামনে একটি সুচিন্তিত, সময়োপযোগী এবং আবেগঘন গল্প তুলে ধরা যাবে।








