ঢাকা | রবিবার | ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

রিশাদকে বাইরে রেখেও টানা পঞ্চম হার রাওয়ালপিন্ডির

রাওয়ালপিন্ডি ইকেলস পিএসএলে টানা পঞ্চম হার মুখে নিয়ে শিরশ্ছেদই পাচ্ছে না। ব্যক্তিগত পরিবর্তন ও একাদশে চারটি বদল করা সত্ত্বেও তারা গত ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ হলো—এবারও রিশাদ হোসেনকে রাখা হয়নি দলের একাদশে, কিন্তু সেটিও কার্যকর কোনো বদল ثابت হয়নি।

করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান সংগ্রহ করে। ওপেনিংয়ে ধীরগতিতে শুরু করা কোয়েটাকে সামলে দাঁড়াতে সাহায্য করে সৌদ শাকিল ও রাইলি রুশোর ৮৭ রানের জুটি; রুশো ৪২ বল খেলে ৫৩ এবং শাকিল ৩৯ বলে ৪২ রান করেন। শেষ দিকে ক্যামিও ইনিংস খেলেন হাসান নওয়াজ (১৬ বলে ৩৯) ও জাহান্দাদ খান (৬ বলে ২১), যার ফলে দলটি অধাআধি সংগ্রহ থেকে ১৮২ রানে পৌঁছায়।

রাওয়ালপিন্ডির পক্ষে নতুনের মতো সারেনবদ্ধ বেন সিয়ার্স প্রথম ম্যাচেই ভালো দেখান—সে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন এবং অন্য উইকেটগুলো নেন মোহাম্মদ, ফলে কোয়েটার ইনিংস আটকে যায়।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাওয়ালপিন্ডি শুরু থেকেই ভুগে; ওপেনাররা দ্রুত ফেরে এবং অধিনায়ক রিজওয়ান ও অন্যান্য ব্যাটার কোর্টার ফিরে যেতে পারেননি। আসরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে উসমান খাজাও মাত্র ৭ রানে আউট হন, তিনি রান-আউটে ফিরে যান। ইয়াসির খান ২২, ড্যারিল মিচেল ৩০, আব্দুল্লাহ ফজল ২০ এবং সাদ মাসুদ ৩১ রানের ছোট ছোট ইনিংস খেললেও বড় কোনও জুটিতে রাওয়ালপিন্ডি কখনোই ফিরতে পারেনি।

অবশেষে রাওয়ালপিন্ডির ইনিংস ১৫ বল বাকি থাকার আগে ১২১ রানে গুটিয়ে যায় এবং কোয়েটা ম্যাচটি ৬১ রানে জিতে নেয়। কোয়েটার বোলার উসমান তারিক, শাকিল ও জাহান্দাদ প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচে দায়িত্বশীল বোলিং দেখিয়ে দলকে জয় এনে দেন।

চলতি আসরে দুই দলেই চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তবে রাওয়ালপিন্ডি এখনই সবচেয়ে বেশি সমস্যায়—পাঁচ ম্যাচে এখনও কোনো জয় নেই এবং দলকে শীঘ্রই ধারালো সলিউশন খুঁজে নিতে হবে।