দেশের অর্থনীতির স্থির ও সঠিক উদ্বোধনের জন্য পরিপাটি ও নির্ভুল তথ্যের বিকল্প নেই বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রের তথ্যের স্বচ্ছতা ও দুর্বোধ্যতা কমাতে পারলে দ্বৈততা ও বিভ্রান্তি অনেকাংশে কমে যাবে, এবং ফলে অপতথ্যের প্রকোপও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন। এই অনুষ্ঠানে এক প্রকল্পের আওতায়, যেটি ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইংয়ের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত, পক্ষে বিশেষভাবে উল্লেখ্য করা হয়—ত্রৈমাসিক মোট দেশজ উৎপাদন (কিউজিডিপি) এবং জেলাভিত্তিক মোট দেশজ উৎপাদন (ডিজিডিপি) উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা।
প্রতিমন্ত্রী তথ্যের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ, তার দৃষ্টিভঙ্গি হলো তথ্য ও উপাত্তগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য ও সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কঠোর নির্দেশনা রয়েছে যাতে কোন ধরণের মানিপুলেশন বা কারচুপি না হয়।
জোনায়েদ সাকি অতীতে জিডিপি সম্পর্কে বিভ্রান্তি বা সমালোচনার বিষয়ে বলেন, আমরা যখনই এই বিষয়ে তথ্য সংকট বা বিভ্রান্তি লক্ষ্য করেছি, তখনই আমরা জনসাধারণের জন্য সঠিক তথ্য উপস্থাপন করার দায়িত্ব নিয়েছি। মূল লক্ষ্য, তথ্যের স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফরহাদ সিদ্দিক, এবং বক্তব্য রাখেন আলেয়া আক্তার, সচিব, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিবিএসের পরিচালক মুহাম্মদ আতিকুল কবীর।
বক্তারা জেলাভিত্তিক জিডিপি (ডিজিডিপি) এবং ত্রৈমাসিক জিডিপি (কিউজিডিপি) নির্ণয়ের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই উন্নয়নমূলক কাজগুলো দেশের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ যোগান দেবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নীতিমালার জন্য বড় ধরনের সুবিধা বয়ে আনবে।








