সরকার দেশের চলচ্চিত্র খাতকে আধুনিক করে স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রতিটি সিনেমা হলে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। এ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য—একক ও সমন্বিত ই-টিকিটিং ও কেন্দ্রীয় বক্স অফিস চালু করে ভক্ত ও পরিচালক, প্রযোজক এবং হলে-দালালদের জন্য পরিষেবা সবিস্তারে গঠন করা।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) বর্তমানে এই মেগা প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ করছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের সিনেমা হলগুলোতে টিকিটিং ও আয়-রেকর্ডিংয়ে স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা তানি জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বর্তমান সরকারের আমলে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী থেকে প্রাথমিকভাবে সবুজ সংকেত পেয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক আলোচনা শেষে এফডিসিকে দ্রুত ডিপিপি জমা দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাসুমা তানি আরও জানান, তারা চেষ্টা করছেন ডিপিপিটি আগামী ঈদুল আজহার আগেই চূড়ান্ত করে উন্নয়ন অনুবিভাগে পেশ করার জন্য। প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে; প্রতিমন্ত্রী বলেছেন কাজটি যেন ন্যূনতম ব্যয়ে সম্পন্ন হয়—এ বিষয়ে এফডিসিও সচেষ্ট থাকবে।
প্রস্তাবনার খসড়ার আগে এফডিসি সিনেমা হল মালিক, পরিচালক, প্রযোজক এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা করেছে এবং প্রায় সকল পক্ষই এই আধুনিক উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে।
ডিপিপি জমা হওয়ার পর এটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সভায় আলোচিত হবে; তদুরন্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে অনুমোদন পেলেই এফডিসি দেশব্যাপী ই-টিকিটিং ও কেন্দ্রীয় বক্স অফিস বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবে।









