বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের একে অপরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিমাণ এখনও তাদের প্রকৃত অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় যথেষ্ট নয়। এজন্য উভয় পক্ষই বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরাসরি জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা চালু, বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও জোরদার করা। এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে শুক্রবার ব্রাসিলিয়ার পালাসিও দো প্লানালতোতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের প্রধান উপদেষ্ট সেলসো আমোরিমের মধ্যে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে।
বৈঠকে হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, দুই দেশের অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে অনেক সম্ভাবনা ধারণ করে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে তুলা, সয়াবিন, চিনিসহ কৃষিপণ্য এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক ও পাটজাত পণ্য ব্রাজিলে রপ্তানির ক্ষেত্র রয়েছে। তিনি জোর দেন, বাণিজ্যে মধ্যস্বত্বভোগীদের আধিপত্য কমিয়ে সরাসরি লেনদেনের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত।
অপরদিকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার পক্ষ থেকে ব্রাজিলের প্রধান উপদেষ্ট সেলসো আমোরিম বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,








