ঢাকা | শুক্রবার | ২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবাসহ পরিবারের পুরস্কার কবরে জিয়ারত ও ঈদুল আজহার নামাজে অংশ নিলেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ ও নামাজ আদায়ের পর তার প্রিয় বাবা, মা এবং ছোট ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালেই তিনি রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজে অংশ নেন। এরপর সরাসরি তিনি শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে যান, যেখানে তিনি তাঁর প্রয়াত বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি দলের নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তাঁদের প্রার্থনাসহ এই পরিবারের জন্য শান্তি ও মুক্তির কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।      এছাড়াও, তিনি সরাসরি বনানী কবরস্থানে যান, যেখানে তিনি তাঁর ছোট ভাই, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাদদেশে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারত করেন। পরিবারের সকলের জন্য দোয়া করে তিনি দীর্ঘক্ষণ প্রার্থনা করেন। ঈদের এই দিনটি তিনি যেন ত্যাগ ও পারিবারিক মূল্যবোধের মহিমা অনুভব করেন। তিনি বছরের প্রতিটি ঈদে পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কবর জিয়ারত করে থাকেন।      ঈদের সকালে সকাল সাড়ে সাতটায় জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই জামাতে দেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা, প্রতিমন্ত্রীরা, সংসদ সদস্যরা, বিচারপতিগণ ও সমাজের নানা স্তরের মানুষ অংশ নেন। বায়তুল মোকাররমের খতিব, মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক এই জামাতের ইমামতি করেন। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজের পর বিশেষ খুতবা ও দোয়া পরিচালিত হয়, যেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।      ঈদের এই প্রধান জামাতে সরকারি কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকগণ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামসহ মোটা সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। নামাজ শেষে সবাই একে অন্যের সাথে কোলাকুলি করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর শোভাযাত্রা ও কুশল বিনিময় আত্মীয়স্বজন ও সাধারণ মানুষের সাথে স্বাভাবিকভাবেই চলে। এই দিনটি অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। পরিশেষে, তিনি দেশের জনগণকে ত্যাগের মহিমায় অনুপ্রাণিত করে ঈদ উদযাপনের জন্য উৎসাহ দেন।