স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্প এখন বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের উৎপাদিত ওষুধের রপ্তানি ব্যাপক পরিমাণে বেড়ে চলেছে এবং এটি এখন দেশের অর্থনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যদি দেশ কোনভাবেই টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা আরও বাড়াতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পরিসর আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, অতীতে সরকারের বিভিন্ন সময় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও টিকা উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু অগ্রগতি হয়নি। ভেন্টিলেটর, সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও ঘাটতি ছিল। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে বেসরকারি খাতের সহায়তায় দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি উন্নত হচ্ছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি এক লাখ ইউনিট শিরাপথে প্রয়োগযোগ্য স্যালাইন অনুদান দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মজুতাগারে এক লাখ স্যালাইন সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়েও ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার ইউনিটের মতো স্যালাইন মজুত আছে। প্রয়োজন হলে আরও সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে, আদ-দ্বীন হাসপাতালের শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে আরও দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে। সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।
প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গুর আক্রান্তের হার কমাতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, ডেঙ্গুরোগীদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সর্বোচ্চ প্রস্তুত।
এ ছাড়াও, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।







