ঢাকা | বুধবার | ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ভোলায় চাঁদা না পেয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বামীর কাছ থেকে চাঁদা না পেয়ে তাকে আটকে রেখে মারধর এবং তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি আলাউদ্দিনসহ আরও এক জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন যুবদল কর্মী মো. আলাউদ্দিন এবং শ্রমিক দল নেতা মো. ফরিদ উদ্দিন। তারা ওই মামলার এজাহারে ১ ও ২ নম্বর আসামি।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) মধ্যরাতে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া থেকে আলাউদ্দিন এবং ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামিকে র‍্যাব গ্রেফতার করে। এছাড়া, ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর সতীনকেও পুলিশ গ্রেফতার করে। এর ফলে এই মামলার মোট ৭ আসামির মধ্যে চারজনকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহব্বত খান জানান, রাতের অভিযানে প্রধান আসামি আলাউদ্দিন ও ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, বুধবার (২ জুলাই) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে নিশ্চিত করেছেন যে, আদালতের সকল বিচার প্রক্রিয়া সতর্কতার সঙ্গে পরিচালিত হবে এবং কোনো অপরাধী ছাড় পাবে না।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকালে জেলা পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত চার জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে গৃহীত অভিযান চলমান রয়েছে।

সূত্র জানায়, ৩০ জুন রাতের ওই ঘটনায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মোল্লার পুকুরপাড় এলাকায় অভিযুক্তরা চাঁদার দাবি পূরণে স্বামীকে আটকে রেখে মারধর করেছিল এবং তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার করতে বাধ্য করেছিল। অভিযুক্তদের শ্রমিকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ ও নিন্দা সৃষ্টি হয়েছে।