চীন বিশ্বাস করে যে, সরকার, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একসঙ্গে কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডেঙ্গু মহামারি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন বলেন, “আমরা আন্তরিকভাবে আশাবাদী যে, প্রতিটি ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তি উন্নত চিকিৎসা পাবে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।”
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে চীন বাংলাদেশকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সামগ্রী হস্তান্তর করে। ড. লিউ জানান, চীনা সরকার বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ পাওয়ার পরে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, খুব অল্প সময়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ৭৮৯ বক্স (মোট ১৯ হাজার ৭০০ ইউনিট) ডেঙ্গু র্যাপিড টেস্ট কিট সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সাহায্য শুধুমাত্র মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই নয়, দুটি দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসাবেও নেয়া হয়েছে।
ড. লিউ আরও বলেন, “জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমাদের বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতার এটি একটি প্রমাণ।”
তিনি উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু এখন বৈশ্বিক একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা এবং বাংলাদেশে ঘনবসতি ও বিস্তৃত জলাধারের কারণে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ অধিক চ্যালেঞ্জিং। দেশের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ যেমন কীটনাশক ব্যবস্থাপনা, নজরদারি উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিকে চীন কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করে।
চীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এবং স্বাস্থ্যসেবায় পারস্পরিক বিনিময় ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফরও উপস্থিত ছিলেন।








